
আল-আকসা /বাইতুল মুকাদ্দাস জেরুসালেমের ওল্ড সিটিতে অবস্থিত। এই আল-আকসা মসজিদ ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান। পবিত্র কুরআনে মিরাজের বর্ণনায় এই মসজিদের কথা উল্লেখ রয়েছে। মক্কার কাবার আগে এটিই ছিল মুসলমানদের প্রথম কিবলা।
কুব্বাত আস-সাখরা /ডোম অব দ্য রক হলো সোনালী গম্বুজ বিশিষ্ট এক ঐতিহাসিক স্থাপনা যা আল-আকসা প্রাঙ্গণের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থিত। এখান থেকেই মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) মিরাজে গমন করেছিলেন।
আল-কিবলি মসজিদ হলো রূপালী গম্বুজ বিশিষ্ট মূল মসজিদ ভবন। এখানে সাধারণত জামাতে নামাজ আদায় করা হয়।
আল-হারাম আল-ইব্রাহিমি /ইব্রাহিমি মসজিদ হলো
হেব্রন / আল-খলিল শহরে অবস্থিত এক মসজিদ। এটি ইসলামের চার নম্বর পবিত্র স্থান হিসেবে গণ্য। এখানে মুসলিম জাতির পিতা হযরত ইব্রাহিম (আঃ), তাঁর স্ত্রী বিবি সারা, পুত্র হযরত ইসহাক (আঃ), হযরত ইয়াকুব (আঃ) এবং তাঁদের স্ত্রীদের কবর বা সমাধি রয়েছে।
আল-সামেদি মসজিদ এবং নবী ইউনুস (আঃ)-এর মাজার
হালহুল (Halhul) নামক স্থানে একটি পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত এক স্মৃতিবিজড়িত স্থান।
গাজার আল-ওমারি মহাজামেই মসজিদ হলো
গাজা উপত্যকার সবচেয়ে প্রাচীন ও বৃহত্তম মসজিদ। এটি ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর (রাঃ)-এর শাসনামলে তাঁর নামানুসারে তৈরি করা হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিগ্রহে এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মাকাম আন-নবী মুসা /নবী মুসা আলাইহিস সালামের মাজারটি জেরিকোর কাছে জুডিয়ান মরুভূমিতে অবস্থিত এই স্থানটি মুসলিম ঐতিহ্য অনুযায়ী হযরত মুসা (আঃ)-এর সমাধি হিসেবে পরিচিত। সালাহউদ্দিন আইয়ুবির সময়কাল থেকে এখানে প্রতি বছর ধর্মীয় উৎসব পালিত হয়ে আসছে।
মোঃ মিলন শাহ 























