
বান্দরবান ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার গৌরবের ৫০বছর পূর্তি ১৯৭৬–২০২৬ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজনে সুবর্ণজয়ন্তী ও প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৬ই সেপ্টেম্বর শনিবার সকালে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী,এমপি।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ১৫ আসনের সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সদস্য
আলহাজ্ব শাহাজান চৌধুরী এমপি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সচিত্র মৈত্রীর সম্পাদক ও বান্দরবান জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক মোঃ ওসমান গনি, বান্দরবান জেলা জামায়াতের আমীর এসএম আব্দুস সালাম আজাদ, বান্দরবান জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট মোঃ আবুল কালাম, আলহাজ্ব ইসলাম কোম্পানি, বান্দরবান ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মাওলানা আব্দুল মান্নান কাদেরী,সাবেক শিক্ষক মাওলানা আলাউদ্দিন ইমামী,সাবেক শিক্ষক মাওলানা শাকের আহমেদ,সাবেক শিক্ষক আবুল বশর ছিদ্দিকী,
বান্দরবান ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মুহাম্মদ বদরুল হক, অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বান্দরবান ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল আউয়াল।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন পরিষদ আহ্বায়ক এড.সোলাইমান।
এছাড়াও উদযাপন পরিষদ সদস্য সচিব এড.শাহাদাত সোহেন, মাদ্রাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থী মো.ইলিয়াছ,মো.জাহাঙ্গীর আলম,মো.হোসেন,
রেজাউল করিম,আব্দুস ছাত্তার,নজরুল ইসলাম,সাংবাদিক মোহাম্মদ আলী,মো.জমির উদ্দিন,নাঈম উদ্দিন,আবু তাহের,মো.আব্দুর রহিম,
মো.তারেক, ডা: মো. তারেকুল ইসলাম, মো.রিয়াজ উদ্দিন, মো.জামি, আবুল মান্নান প্রমুখ উদযাপন পরিষদের সার্বিক দায়িত্ব পালন করেন।
এ সময় বক্তারা বলেন, বান্দরবান ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা বিগত অর্ধশতাব্দী ধরে এই অঞ্চলে ধর্মীয় ও আধুনিক শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে। এই প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা দেশ ও জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন। শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং নৈতিকতা সম্পন্ন প্রজন্ম গঠনে সরকার সম্পন্ন প্রজন্ম গঠনে সরকার মাদ্রাসাশিক্ষার উন্নয়নে সবসময় কাজ করে যাচ্ছে।
এ সময় অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও নাতে রাসুল পরিবেশনের মাধ্যমে মূল পর্ব শুরু হয়। অর্ধশতাব্দীর পথচলায় মাদ্রাসার শিক্ষা বিস্তারে অবদান ও বর্তমান অর্জন নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন আমন্ত্রিত অতিথিরা ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। মাদ্রাসার পুরোনো বন্ধুদের দীর্ঘদিন পর কাছে পেয়ে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
দিনব্যাপী এই আয়োজনে ছিল প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের স্মৃতিচারণ, সম্মাননা স্মারক প্রদান এবং মাদ্রাসার হাজারো প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে পুরো প্রাঙ্গণটি এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।
মুহাম্মদ আকাশ 





















