Dhaka ০৩:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ধামইরহাটে ছাগলে করলা গাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ছুরিকা ঘাতে কৃষক নিহত। রিহ্যাব থেকে ছাড়ার পর রাস্তায় ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ, ৬ দিন ধরে নিখোঁজ ওমর হোসেন নওগাঁ ‘আইন কলেজ নওগাঁতে এল,এল,বি ১ম বর্ষ কোর্সে ভর্তী চলছে। পোরশায় ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার নড়াগাতীতে নড়াইল-১ আসনের সাবেক এমপির নাতি হাফেজ ওবায়েদের ডেঙ্গুতে মৃত্যু কালিয়ায় নড়াগাতী থানার নবাগত ওসির সঙ্গে কালিয়া প্রেসক্লাবের মতবিনিময় স্থানীয় নির্বাচনে অনিয়মের সুযোগ না দেওয়ার ঘোষণা, বাস্তবায়ন নিয়ে থাকছে প্রশ্ন সাংবাদিকতার পাশাপাশি মানবিক সেবায় রিপোর্টার্স ক্লাব ফরিদপুর: চার শতাধিক রোগীকে চক্ষু চিকিৎসা প্রদান রাতভর অভিযান শেষে ক্লান্ত শরির নিয়ে সকালেই মাঠে গাইবান্ধা ডিবি পুলিশ নড়াইলের কালিয়ায় পূবালী ব্যাংকে (পিএলসি) উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

তীব্র তাপদাহে ব্রাহ্মণপাড়ায় অতিষ্ঠ জনজীবন, ঘরে ঘরে বাড়ছে জ্বর-ডায়রিয় ​ভাদ্রের তীব্র গরমে পুড়ছে ব্রাহ্মণপাড়া, বাড়ছে শিশু ও বয়স্কদের রোগব্যাধি

​ভাদ্রের তীব্র খরতাপ আর ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস করছে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মানুষ। গত কয়েক দিন ধরে চলা টানা তাপদাহে তপ্ত হয়ে উঠেছে মাঠ-ঘাট ও পথপ্রান্তর। একটু স্বস্তির বাতাসের খোঁজে মানুষ ছুটছে গাছতলায়। দুপুরের তীব্র রোদে ফাঁকা হয়ে পড়ছে রাস্তাঘাট ও হাটবাজার। গরমের এই দাপটে একদিকে যেমন দৈনন্দিন জীবনযাত্রা থমকে গেছে, অন্যদিকে বেড়েছে গরমজনিত ও পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব।

​ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার গ্রাম থেকে শুরু করে বাজার—সবখানেই এখন গরমের একই প্রভাব। কাজের তাগিদে যারা বাইরে বের হচ্ছেন, তারা রোদের তীব্রতায় অতীষ্ঠ হয়ে উঠছেন। বিশেষ করে নিম্নআয়ের ও শ্রমজীবী মানুষের ভোগান্তি পৌঁছেছে চরমে।
​রোদের তীব্রতায় অতিষ্ঠ হয়ে উপজেলার স্থানীয় এক পথচারী বলেন, “যে রোদ আর গরম পড়েছে, বাইরে টিকে থাকা অসম্ভব। দুপুর হলেই রাস্তাঘাট জনশূন্য হয়ে পড়ে। একটু বাতাসের আশায় গাছের ছায়ায় বসেও শান্তি মিলছে না।”
​এদিকে, আবহাওয়ার এই বৈরী পরিবর্তনের প্রভাবে ব্রাহ্মণপাড়ার ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়ছে জ্বর, সর্দি, কাশি ও ডায়রিয়া। আক্রান্তদের মধ্যে শিশু এবং প্রবীণদের সংখ্যাই বেশি। উপজেলার সরকারি-বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্রে দিন দিন বাড়ছে এসব রোগীর ভিড়।
​তবে এ পরিস্থিতি নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মনিরুল ইসলাম বলেন, “আবহাওয়ার আকস্মিক পরিবর্তনের কারণে সব বয়সের মানুষই কম-বেশি জ্বর, সর্দি ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। অনেকের ভাইরাসজনিত তীব্র জ্বর হচ্ছে। তবে এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।”
​তিনি আরও জানান, এই সময়ে শিশু ও বয়স্কদের যথাসম্ভব ঠান্ডা ও ছায়াযুক্ত স্থানে রাখা উচিত। খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া তীব্র গরমে বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। পাশাপাশি পানিবাহিত রোগ এড়াতে ফোটানো বা বিশুদ্ধ পানি পান করা এবং যেকোনো অসুস্থতায় দ্রুত নিবন্ধিত (রেজিস্টার্ড) চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার অনুরোধ জানান এই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

আরও পড়ুনঃ  পরিবেশ ও প্রতিবেশ পুনরুদ্ধারে বান্দরবানে মাল্টি স্টেকহোল্ডার অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত।
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ধামইরহাটে ছাগলে করলা গাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ছুরিকা ঘাতে কৃষক নিহত।

তীব্র তাপদাহে ব্রাহ্মণপাড়ায় অতিষ্ঠ জনজীবন, ঘরে ঘরে বাড়ছে জ্বর-ডায়রিয় ​ভাদ্রের তীব্র গরমে পুড়ছে ব্রাহ্মণপাড়া, বাড়ছে শিশু ও বয়স্কদের রোগব্যাধি

আপডেটের সময়: ১০:৪০:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

​ভাদ্রের তীব্র খরতাপ আর ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস করছে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মানুষ। গত কয়েক দিন ধরে চলা টানা তাপদাহে তপ্ত হয়ে উঠেছে মাঠ-ঘাট ও পথপ্রান্তর। একটু স্বস্তির বাতাসের খোঁজে মানুষ ছুটছে গাছতলায়। দুপুরের তীব্র রোদে ফাঁকা হয়ে পড়ছে রাস্তাঘাট ও হাটবাজার। গরমের এই দাপটে একদিকে যেমন দৈনন্দিন জীবনযাত্রা থমকে গেছে, অন্যদিকে বেড়েছে গরমজনিত ও পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব।

​ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার গ্রাম থেকে শুরু করে বাজার—সবখানেই এখন গরমের একই প্রভাব। কাজের তাগিদে যারা বাইরে বের হচ্ছেন, তারা রোদের তীব্রতায় অতীষ্ঠ হয়ে উঠছেন। বিশেষ করে নিম্নআয়ের ও শ্রমজীবী মানুষের ভোগান্তি পৌঁছেছে চরমে।
​রোদের তীব্রতায় অতিষ্ঠ হয়ে উপজেলার স্থানীয় এক পথচারী বলেন, “যে রোদ আর গরম পড়েছে, বাইরে টিকে থাকা অসম্ভব। দুপুর হলেই রাস্তাঘাট জনশূন্য হয়ে পড়ে। একটু বাতাসের আশায় গাছের ছায়ায় বসেও শান্তি মিলছে না।”
​এদিকে, আবহাওয়ার এই বৈরী পরিবর্তনের প্রভাবে ব্রাহ্মণপাড়ার ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়ছে জ্বর, সর্দি, কাশি ও ডায়রিয়া। আক্রান্তদের মধ্যে শিশু এবং প্রবীণদের সংখ্যাই বেশি। উপজেলার সরকারি-বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্রে দিন দিন বাড়ছে এসব রোগীর ভিড়।
​তবে এ পরিস্থিতি নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মনিরুল ইসলাম বলেন, “আবহাওয়ার আকস্মিক পরিবর্তনের কারণে সব বয়সের মানুষই কম-বেশি জ্বর, সর্দি ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। অনেকের ভাইরাসজনিত তীব্র জ্বর হচ্ছে। তবে এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।”
​তিনি আরও জানান, এই সময়ে শিশু ও বয়স্কদের যথাসম্ভব ঠান্ডা ও ছায়াযুক্ত স্থানে রাখা উচিত। খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া তীব্র গরমে বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। পাশাপাশি পানিবাহিত রোগ এড়াতে ফোটানো বা বিশুদ্ধ পানি পান করা এবং যেকোনো অসুস্থতায় দ্রুত নিবন্ধিত (রেজিস্টার্ড) চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার অনুরোধ জানান এই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

আরও পড়ুনঃ  পরিবেশ ও প্রতিবেশ পুনরুদ্ধারে বান্দরবানে মাল্টি স্টেকহোল্ডার অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত।